গাজা শান্তি পরিকল্পনাতে পাকিস্তানের উপস্থিতি বিশ্ব রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন ঐতিহাসিক এক ভুল! যা দীর্ঘমেয়াদী সংকটের জন্ম দিতে পারে!
ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক স্বার্থ ইজরায়েলের চরম বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে,এই চুক্তি কার্যকর হলে ইজরায়েলকে চড়া মূল্য শোধ করতে হবে!
গাজা শান্তি পরিকল্পনা অনুযায়ী সেখানে একটি 'আন্তর্জাতিক শান্তি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। যার মূল লক্ষ হবে গাজায় হামাসকে নিয়ন্ত্রণ করা ও গাজা পুনর্গঠন প্রকল্পে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
প্রস্তাব অনুযায়ী এই বাহিনীতে অন্ন কিছু দেশের পাশাপাশি তুরস্ক ও পাকিস্তানের সৈন্যদের অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
শান্তি বাহিনীতে তুরস্কের সেনাদের উপস্তিতি কোনো ভাবেই মেনে নেয়নি ইজরায়েল!
এবার একই ভাবে গর্জে উঠলো ইজরায়েলের সাধারণ মানুষ,সাংবাদিক সহ ইজরায়েলের প্রাক্তন সেনাকর্তারা,
তাদের দাবি, ঠিক যেভাবে তুরস্ককে আটকানো হয়েছে, একইভাবে পাকিস্তানকেও আটকানো হবে।
পাকিস্তানি সেনাদের গাজায় প্রবেশের অধিকার দাওয়া হবে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।
পাকিস্তান যদি একবার গাজায় ঢুকে পড়ে, ISI এর মতো এক 'ভাইরাসের উপস্থিতি সমগ্র অঞ্চলটিতে দীর্ঘমেয়াদী সংকটের জন্ম দিতে পারে!(পাকিস্তান বিশ্বের একমাত্র মুসলিম রাষ্ট্র যাদের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে)
পাকিস্তানি সেনারা অতীত ইতিহাস অন্তত তাই বলে,
হামাসকে তারা কোনো ভাবেই দুর্বল করবে না।বরঞ্চ (ISI) এই সুযোগে হামাসকে গোপনে সহায়তা জোগাবে এবং ইজরায়েলি সেনাদের তথ্য/গতিবিধি জঙ্গিদের সরবরাহ করবে, যা ইজরায়েলের চরম বিপর্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে!


You must be logged in to post a comment.