ব্রেকিং নিউজ: শ্রী জগন্নাথের মহিমায় নয়া দিগন্ত! ২০২৬-২৭ বাজেটে পুরীর জন্য হাজার কোটি টাকার মহাপরিকল্পনা
নিউজ ডেস্ক, NEWSHUNGAR | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ওড়িশার ঐতিহ্য এবং আধ্যাত্মিকতার প্রাণকেন্দ্র পুরীর শ্রী জগন্নাথ মন্দিরের ভোল বদলে দিতে ঐতিহাসিক পদক্ষেপ গ্রহণ করল মোহন চরণ মাঝি সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের রাজ্য বাজেটে জগন্নাথ সংস্কৃতির প্রসার এবং মন্দিরের পরিকাঠামো উন্নয়নে একগুচ্ছ বড় ঘোষণা করা হয়েছে।
বাজেটের মূল আকর্ষণসমূহ:
📍 ১,০০০ কোটির ইন্টারপ্রিটেশন সেন্টার: পুরীতে তৈরি হবে বিশ্বমানের 'শ্রী জগন্নাথ ইন্টারপ্রিটেশন সেন্টার' (SJIC)। এটি কেবল একটি মিউজিয়াম নয়, বরং জগন্নাথ সংস্কৃতির ইতিহাস, বিবর্তন এবং আধ্যাত্মিক গুরুত্বকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরার এক আধুনিক কেন্দ্র হবে।
📍 রত্নভাণ্ডার নিরীক্ষা (Inventory): দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে রত্নভাণ্ডারের অলঙ্কার ও মূল্যবান জিনিসের তালিকা তৈরির জন্য ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশে আগামী ৩ মাসের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে এসওপি (SOP) অনুমোদিত হয়েছে। ১৯৭৮ সালের পর এই প্রথম ডিজিটাল ক্যাটালগের মাধ্যমে রত্নভাণ্ডারের হিসাব নেওয়া হবে।
📍 ডিজিটাল হুন্ডি 'সমর্পণ': দেশ-বিদেশের ভক্তদের জন্য চালু হচ্ছে অনলাইন ডোনেশন প্ল্যাটফর্ম 'সমর্পণ'। এখন থেকে ঘরে বসেই মহাপ্রভুর সেবায় ডিজিটাল মাধ্যমে দান করা যাবে।
📍 ঐতিহ্য পুনর্জাগরণ: গুণ্ডিচা মন্দির, এমর মঠ এবং ঐতিহাসিক রঘুনন্দন লাইব্রেরির হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে বিশেষ আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।
📍 আন্তর্জাতিক পর্যটন হাব: পুরীকে বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি 'আন্তর্জাতিক ক্রুজ টার্মিনাল' এবং শামুকায় 'ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম সেন্টার' নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
কেন এই বাজেট গুরুত্বপূর্ণ?
এবারের ৩.১০ লক্ষ কোটি টাকার বাজেটে 'আমোদ ও ঐতিহ্য' (Our Legacy Our Pride) স্তম্ভকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য ২০৩৬ সালের মধ্যে ওড়িশাকে একটি উন্নত রাজ্যে পরিণত করা, যার মূল চালিকাশক্তি হবে জগন্নাথ ধাম।
আপনার কি মনে হয়, এই বিশাল বাজেটের ফলে পুরীর পর্যটন ও আধ্যাত্মিক পরিবেশের আমূল পরিবর্তন ঘটবে? কমেন্টে জানান আপনার মতামত।

