470 million dollar spent on a 20,000 dollar drone! How is America calculating this?

 ২০ হাজারের ড্রোনের পেছনে ৪৭ কোটি টাকা খরচ! আমেরিকার এ কেমন হিসাব? 😱🇺🇸🇮🇷



জানেন কি, মাত্র ২৫ লাখ টাকার একটি ইরানি ড্রোন ধ্বংস করতে আমেরিকার পকেট থেকে খসে যাচ্ছে ৪৭ কোটি টাকা? হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন!

ইরানের তৈরি শাহেদ-১৩৬ ড্রোনগুলো এখন মার্কিন সামরিক বাহিনীর মাথাব্যথার কারণ। এগুলো যেমন সস্তা, তেমনি নিখুঁত। আর এই সস্তা ড্রোন ঠেকাতে আমেরিকা বাধ্য হয়ে তাদের সবচাইতে দামী প্যাট্রিয়ট মিসাইল ছুড়ছে। যুদ্ধটা এখন আর অস্ত্রের নয়, যুদ্ধটা এখন পকেটের!

একদিকে ইরানের সস্তা ড্রোনের ঝাঁক, আর অন্যদিকে আমেরিকার মিলিয়ন ডলারের মিসাইল। এই অসম লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত জিতবে কে? সুপারপাওয়ার আমেরিকা নাকি কৌশলী ইরান?"

 

২০ হাজার ডলার বনাম ৪০ লক্ষ ডলার! অবিশ্বাস্য মনে হলেও এটাই এখন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আসল বাস্তবতা।

একদিকে ইরানের তৈরি সস্তা 'শাহেদ' (Shahed) ড্রোন, যা বানাতে খরচ হয় মাত্র ২০ থেকে ৩০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৫-৩০ লাখ টাকা)। আর অন্যদিকে সেই ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করতে আমেরিকা ব্যবহার করছে তাদের সবচাইতে দামী 'প্যাট্রিয়ট' (Patriot) মিসাইল, যার একটির দামই ৪ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৪৭ কোটি টাকা! 🤯

কেন এই অসম যুদ্ধ?

বলা হচ্ছে, ইরান আসলে আমেরিকাকে সরাসরি যুদ্ধে নয়, বরং পকেট ফাঁকা করার যুদ্ধে নামিয়েছে। একে বলে 'Economic Warfare' বা অর্থনৈতিক যুদ্ধ।

📌 এক নজরে খরচের ব্যবধান:

 * 🇮🇷 ইরানি ড্রোন: ২০,০০০ ডলার (সাশ্রয়ী ও আত্মঘাতী)।

 * 🇺🇸 মার্কিন মিসাইল: ৪,০০০,০০০ ডলার (ভয়ঙ্কর দামী)।

 * ফলাফল: একটি ড্রোন ঠেকাতে ২০০ গুণ বেশি খরচ করছে যুক্তরাষ্ট্র!

আমেরিকা কি তবে বিপদে?

বিশ্লেষকরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে আমেরিকার মিসাইল স্টক ফুরিয়ে যেতে পারে। কারণ ড্রোন বানানো যত সহজ, ৪৭ কোটি টাকার মিসাইল বানানো ততটাই কঠিন ও সময়সাপেক্ষ। যদিও আমেরিকা এখন লেজার গান বা সস্তা প্রযুক্তি ব্যবহারের চিন্তা করছে, কিন্তু আপাতত ড্রোনের রাজত্বে কোণঠাসা সুপারপাওয়ার!

আপনার কি মনে হয়? ইরান কি কৌশলে আমেরিকাকে দেউলিয়া করার পথে হাঁটছে? কমেন্টে জানান আপনার মতামত! 👇

Previous Post Next Post
আপনার অঞ্চলের স্থানীয় খবর, ভাগ করেনিন আমাদের সাথে! আপনার ভ্রমণ কাহিনী,আপনার সাহিত্য সৃষ্টি আমাদের সাথে ভাগ করেনিতে WHATSAPP :6289008713