নিজস্ব প্রতিবেদক, Newshungar |
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ এখন বারুদের গন্ধে ভারী। দীর্ঘদিনের চাপা উত্তেজনা এবার হয়তো এক ভয়াবহ রূপ নিতে চলেছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সূত্রে খবর, আগামীকাল (বুধবার) বিকেলের পর বা সন্ধ্যার দিকে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি সংঘাত শুরু হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, এই হামলায় সরাসরি অংশ নিতে পারে আমেরিকা।
কেন এই চরম উত্তেজনা?
গত কয়েকদিন ধরেই সিরিয়া এবং লেবানন সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনীর তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছিল। পাল্টা হুংকার দিয়েছিল ইরানও। তবে সূত্র বলছে, আগামীকাল সন্ধ্যায় আমেরিকা ইরানের নির্দিষ্ট কিছু সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে 'সার্জিক্যাল স্ট্রাইক' বা বিমান হামলা চালাতে পারে। মূলত ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই ওয়াশিংটন এই কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কী ঘটতে পারে কাল সন্ধ্যায়?
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, হামলার ছক সাজানো হয়েছে মূলত তিনটি দিক থেকে:
মার্কিন বিমান হামলা: ভূমধ্যসাগরে থাকা মার্কিন রণতরি থেকে ইরানের ড্রোন ও মিসাইল সেন্টারগুলো টার্গেট করা হতে পারে।
ইসরায়েলি পাল্টা জবাব: ইরান যদি পাল্টাহামলা চালায়, তবে ইসরায়েল সরাসরি তেহরানের পরমাণু কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানতে পারে।
তেল ও জ্বালানি সংকট: এই যুদ্ধ শুরু হলে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বিশাল প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিশ্বনেতাদের প্রতিক্রিয়া
রাশিয়া এবং চীন ইতিমধ্যে উভয় পক্ষকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। তবে পেন্টাগনের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, "প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আমরা পিছপা হবো না।" এই মন্তব্য কালকের সম্ভাব্য হামলার জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে।
সাধারণ মানুষের আতঙ্ক
মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত লাখ লাখ প্রবাসী এখন চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। যদি সত্যিই কাল সন্ধ্যার দিকে হামলা শুরু হয়, তবে তা কেবল দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের এক কালো ছায়া নিয়ে আসতে পারে।
সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্ভাব্য পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি রিপোর্ট। পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে। সবশেষ আপডেটের জন্য চোখ রাখুন Newshungar-এ।
