🔥 ব্রেকিং নিউজ: মাইহারে প্রতিবাদ চলাকালীন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড! কংগ্রেসের কুশপুত্তলিকা দহনে দগ্ধ পুলিশ অফিসার
মাইহার, মধ্যপ্রদেশ | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মধ্যপ্রদেশের মাইহার (Maihar) শহরে এক রাজনৈতিক প্রতিবাদ কর্মসূচি চলাকালীন ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল সাধারণ মানুষ। কংগ্রেস কর্মীদের আয়োজিত একটি বিক্ষোভ প্রদর্শনীতে কুশপুত্তলিকা দহন করতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হলেন কর্তব্যরত এক ট্রাফিক পুলিশ ইনচার্জ। মুহূর্তের অসাবধানতায় রাজপথ রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়।
📍 ঘটনার প্রেক্ষাপট: কী ঘটেছিল অগ্রসেন চৌরাস্তায়?
শুক্রবার সকালে মাইহারের ব্যস্ততম অগ্রসেন তিাহা (Agrasen Tiraha) এলাকায় কংগ্রেস কর্মীরা জড়ো হয়েছিলেন। মধ্যপ্রদেশ সরকারের বাজেট এবং মন্ত্রী কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিলেন তারা। বিক্ষোভের এক পর্যায়ে কর্মীরা সরকারের কুশপুত্তলিকা দাহ করার চেষ্টা করেন।
⚠️ মুহূর্তের অসাবধানতা ও দুর্ঘটনা
পুলিশের বাধা অগ্রাহ্য করে যখন কুশপুত্তলিকায় আগুন দেওয়ার চেষ্টা চলছিল, তখন সেখানে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন ট্রাফিক টিআই (TI) বিক্রম পাঠক (Vikram Pathak)।
* বিপত্তি: কুশপুত্তলিকাটি দ্রুত জ্বালানোর জন্য তাতে প্রচুর পরিমাণে পেট্রোল ঢালা হয়েছিল।
* অগ্নিকাণ্ড: যখনই আগুন জ্বালানো হয়, পেট্রোল মিশ্রিত আগুনের লেলিহান শিখা ছিটকে এসে সরাসরি অফিসার বিক্রম পাঠকের গায়ের ওপর পড়ে।
* ভয়াবহ দৃশ্য: প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুহূর্তের মধ্যে পুলিশ অফিসারের উর্দিতে আগুন ধরে যায়। উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও পুলিশ কর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।
🏥 চিকিৎসা ও বর্তমান পরিস্থিতি
অগ্নিদগ্ধ বিক্রম পাঠককে তাৎক্ষণিকভাবে মাইহার সিভিল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের মতে, তার পিঠ এবং শরীরের নিচের অংশ বেশ গুরুতরভাবে পুড়ে গিয়েছে। তবে বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
⚖️ পুলিশি পদক্ষেপ ও আইনি জটিলতা
এই ঘটনায় মাইহার পুলিশ কঠোর অবস্থান নিয়েছে। রাজনৈতিক কর্মসূচিতে এ ধরনের বিপজ্জনক দাহ্য পদার্থ ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
* এফআইআর (FIR): পুলিশ ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখে ৪ জন প্রধান অভিযুক্তসহ বেশ কয়েকজন কংগ্রেস কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
* তদন্ত: এটি পরিকল্পিত কোনো হামলা নাকি নিছক দুর্ঘটনা, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে।
🗣️ জনমত: রাজনৈতিক প্রতিবাদের সীমা কোথায়?
এই ঘটনার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, প্রতিবাদের নামে অন্যের জীবন বিপন্ন করা কি আদৌ গণতান্ত্রিক অধিকারের মধ্যে পড়ে?
আপনার মতামত কী? এ ধরনের ঘটনায় কি রাজনৈতিক দলের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত? কমেন্ট করে জানান আপনার মূল্যবান মতামত।
নিউজ আপডেটটি ভালো লাগলে শেয়ার করুন!
