🚨 ব্রেকিং নিউজ: পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে আকাশপথে সংঘাত! 🚨
আফগানিস্তানের ড্রোন কি সত্যিই ওড়াল পাকিস্তানের চিনা ডিফেন্স? নাকি পুরোটাই প্রোপাগান্ডা? গত কয়েকদিনের উত্তপ্ত সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য! বিস্তারিত পড়ুন নিচের প্রতিবেদনে। ⬇️
আফগানিস্তানের ড্রোন হামলায় কি সত্যিই উড়ে গেছে পাকিস্তানের চিনা ডিফেন্স? সত্যতা কতটুকু?
নিউসহাঙ্গার ডেস্ক | ১৯ মার্চ, ২০২৬
আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের উত্তেজনা এখন ড্রোন এবং আকাশপথে যুদ্ধের রূপ নিয়েছে। সম্প্রতি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া এবং অখ্যাত কিছু পোর্টালে দাবি করা হচ্ছে যে, আফগানিস্তানের ড্রোন হামলায় পাকিস্তানের শক্তিশালী 'চিনা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম' পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে মাঠে নেমেছে আমাদের টিম।
আরও পড়ুন ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত: ইমামদের বেতন সর্বোচ্চ ৭০ হাজার!
আদতে কী ঘটেছে?
গত ১৩ মার্চ, ২০২৬ তারিখে আফগান তালিবান কর্তৃপক্ষ দাবি করে যে, তারা পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের কাছে 'হামজা' সামরিক কেন্দ্র এবং কোহাটের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় পাকিস্তানের ব্যাপক সামরিক ক্ষতি হয়েছে।
চিনা ডিফেন্স উধাও হওয়ার গুঞ্জন:
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীতে চিনের তৈরি HQ-9 এবং HQ-16 এর মতো অত্যাধুনিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম ব্যবহৃত হয়। নেটিজেনদের একাংশ দাবি করছেন, তালিবানের তৈরি ড্রোন এই চিনা সিস্টেমকে ফাঁকি দিয়ে সফলভাবে আঘাত হেনেছে। তবে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম যেমন রয়টার্স বা আল জাজিরা-র তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান দাবি করেছে যে তারা ড্রোনগুলো লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই ভূপাতিত করেছে। কোয়েটা ও কোহাটে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, কিন্তু চিনা ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস হওয়ার কোনো অকাট্য প্রমাণ বা স্যাটেলাইট ইমেজ এখনো পাওয়া যায়নি।
পাল্টা হামলা ও বর্তমান পরিস্থিতি:
ড্রোন হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাকিস্তান বিমান বাহিনী (PAF) আফগানিস্তানের কান্দাহার এবং নানগারহার প্রদেশে ড্রোন স্টোরেজ এবং টেকনিক্যাল সেন্টারে ব্যাপক বিমান হামলা চালায়। পাকিস্তান সরকারের দাবি, তারা ড্রোন তৈরির উৎসগুলো ধ্বংস করে দিয়েছে।
শেষ খবর:
আরও পড়ুন নেতানিয়াহুর মৃত্যু নিয়ে ইরানি মিডিয়ায় তোলপাড়: জল্পনা নাকি প্রোপাগান্ডা যুদ্ধ?
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে আজ ১৯ মার্চ থেকে দুই দেশই সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, "চিনা ডিফেন্স উড়ে যাওয়া"-র বিষয়টি মূলত মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের (Psychological Warfare) অংশ হতে পারে, যা দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।
আপনার মতামত কী? আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের এই সংঘাত কি দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা নষ্ট করবে? কমেন্টে জানান আমাদের।
সবচেয়ে দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য খবরের জন্য ফলো করুন "NEWSHUNGAR"

