ইসরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে দিতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট!" 🚀 এবার সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে নামার হুঁশিয়ারি দিলেন কিম জং উন! 🇰🇵🇮🇷

 ইসরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে দিতে একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট!" 🚀 এবার সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে নামার হুঁশিয়ারি দিলেন কিম জং উন! 🇰🇵🇮🇷


ইরানের ওপর হামলার পর আর চুপ থাকলেন না উত্তর কোরিয়ার এই রহস্যময় নেতা। আমেরিকা ও ইসরায়েলকে দিলেন এক চরম বার্তা। তবে কি শুরু হতে যাচ্ছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ? 😱


🔴 ব্রেকিং নিউজ: ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রণহুঙ্কার কিম জং উনের! ইরানের পাশে থাকার ঘোষণা পিয়ংইয়ংয়ের

নিউজ ডেস্ক, Newshungar | মার্চ ৫, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের বারুদঠাসা পরিস্থিতিতে এবার সরাসরি প্রবেশ করলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। ইরান-ইসরায়েল সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে তেহরানের প্রতি নিঃশর্ত সমর্থন জানিয়ে বিশ্ব রাজনীতিতে বড়সড় কম্পন ধরিয়ে দিয়েছেন এই রহস্যময় নেতা। পিয়ংইয়ং থেকে প্রচারিত এক কড়া বার্তায় কিম স্পষ্ট করেছেন—আমেরিকা ও ইসরায়েলের যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরান একা নয়।

🚀 "একটি ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট": কিমের বিধ্বংসী হুঁশিয়ারি

সংবাদ সংস্থা KCNA এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, কিম জং উন ইসরায়েলকে চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, "ইসরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার জন্য উত্তর কোরিয়ার একটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রই যথেষ্ট।"

তিনি আরও জানান, ইরান যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে উত্তর কোরিয়া তাদের উন্নত প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম দিয়ে সহায়তা করতে এক মুহূর্তও দেরি করবে না। কিমের এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে ওয়াশিংটন থেকে তেল আবিব।

📢 কিম জং উনের পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য (সারাংশ):

উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কিম জং উনের পক্ষ থেকে আসা বক্তব্যের মূল অংশগুলো নিচে হুবহু তুলে ধরা হলো:

> "যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যে নগ্ন আগ্রাসন চালাচ্ছে, তা আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর কাপুরুষোচিত হামলা। ওয়াশিংটনের এই 'গ্যাংস্টার' সুলভ আচরণ বিশ্ব শান্তিকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। আমরা আমাদের দীর্ঘদিনের মিত্র ইরানের পাশে শক্তভাবে দাঁড়িয়েছি। ইরানকে মনে রাখতে হবে, তাদের পেছনে এমন এক শক্তি আছে যারা মাথা নত করতে শেখেনি। যদি প্রয়োজন হয়, তবে আমরা তেহরানকে এমন অস্ত্র ও প্রযুক্তি সরবরাহ করব যা শত্রুকে ছাই করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। মনে রাখবেন, শক্তিই শক্তির ভাষা বোঝে।"

🛡️ কেন হঠাৎ এই আক্রমণাত্মক অবস্থান?

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিম জং উন মনে করেন ইরানের ওপর এই হামলা আসলে উত্তর কোরিয়ার জন্য একটি প্রচ্ছন্ন বার্তা। তাই তিনি আগেভাগেই নিজের সামরিক সক্ষমতার জানান দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে রাখতে চাইছেন। এছাড়া উত্তর কোরিয়া ও ইরানের মধ্যে কয়েক দশকের সামরিক ও প্রযুক্তিগত গোপন সম্পর্ক এখন প্রকাশ্যে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে এই বক্তব্য।

⚠️ যুদ্ধের মেঘ কি ঘনীভূত হচ্ছে?

কিম জং উনের এই সরাসরি হস্তক্ষেপের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠল। যদি সত্যিই উত্তর কোরিয়া ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ শুরু করে, তবে এই সংঘাত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে মোড় নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।

সবচেয়ে দ্রুত খবরের জন্য লাইক ও ফলো দিয়ে সাথেই থাকুন 'Newshungar' এর।

Previous Post Next Post
আপনার অঞ্চলের স্থানীয় খবর, ভাগ করেনিন আমাদের সাথে! আপনার ভ্রমণ কাহিনী,আপনার সাহিত্য সৃষ্টি আমাদের সাথে ভাগ করেনিতে WHATSAPP :6289008713